Your Cart is Empty
আপনার কার্টে কোনো পণ্য নেই। আমাদের আকর্ষণীয় পণ্যগুলো দেখতে শপিং শুরু করুন।
Start Shopping / শপিং শুরু করুন
SKU: Bele doash mati
২ থেকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে ডেলিভারি দেওয়া হবে।
📌 বেলে দোআঁশ মাটিতে প্রধানত নিম্নলিখিত উপাদান থাকে:
বালিকণা (Sand) – ৪০-৫০% 🏝
✅ পানি নিষ্কাশন ভালো করে
✅ মাটির গঠন হালকা রাখে
পলিকণা (Silt) – ২০-৩০% 🌾
✅ মাটির পানি ধারণক্ষমতা বাড়ায়
✅ গাছের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি ধরে রাখে
কাদাকণা (Clay) – ২০-৩০% 🏺
✅ মাটির শক্তি বৃদ্ধি করে
✅ গাছের শিকড়ের জন্য প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ধরে রাখে
হিউমাস ও জৈব পদার্থ – ৩-৫% 🌿
✅ মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে
✅ ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের কার্যকারিতা বাড়ায়
খনিজ ও পুষ্টি উপাদানসমূহ:
✅ নাইট্রোজেন (N) – গাছের পাতা ও কান্ড বৃদ্ধিতে সহায়ক।
✅ ফসফরাস (P) – শিকড় গঠনে সহায়ক এবং ফুল ও ফল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
✅ পটাশিয়াম (K) – গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
✅ ক্যালসিয়াম (Ca) – মাটির pH নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এবং গাছের কাঠামো শক্তিশালী করে।
✅ ম্যাগনেসিয়াম (Mg), সালফার (S), জিঙ্ক (Zn), আয়রন (Fe) – গাছের সবুজ পাতা বৃদ্ধি ও ক্লোরোফিল তৈরিতে সহায়তা করে।
📌 এই উপাদানগুলো মাটির উর্বরতা বাড়ায় এবং গাছের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে।
✅ উচ্চ উর্বরতা: বেলে দোআঁশ মাটি গাছের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও খনিজ উপাদান ধারণ করতে সক্ষম।
✅ ভালো পানি নিষ্কাশন ক্ষমতা: বালির কারণে পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হয়, ফলে গাছের শিকড় পচে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।
✅ পর্যাপ্ত আর্দ্রতা ধরে রাখে: পলি ও কাদার কারণে এই মাটি শুষ্ক হয়ে যায় না, ফলে গাছের জন্য পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকে।
✅ বাতাস চলাচল ভালো হয়: গাছের শিকড়ের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সহজে প্রবাহিত হয়, যা শিকড়ের বৃদ্ধিতে সহায়ক।
✅ সহজ চাষযোগ্য: এঁটেল মাটির তুলনায় দোআঁশ মাটির চাষ করা সহজ এবং এটি দ্রুত পানি শোষণ ও নিষ্কাশন করতে পারে।
📌 পরিমাণ:
📌 প্রয়োগের নিয়ম:
1️⃣ জমি তৈরির সময় বেলে দোআঁশ মাটি মিশিয়ে দিন।
2️⃣ বীজ বা চারা রোপণের আগে মাটির আর্দ্রতা ঠিক রাখুন।
3️⃣ প্রতি ৬ মাস পর মাটির গুণাগুণ ধরে রাখতে জৈব সার ব্যবহার করুন।
✅ এর উপকারিতা:
📌 পরিমাণ:
📌 প্রয়োগের নিয়ম:
1️⃣ টবের নিচে কিছু বালু ও ছোট পাথর দিন, যাতে পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হয়। ( Geo Grow Bag এ এসব করতে হয় না )
2️⃣ টবের ৮০% অংশ বেলে দোআঁশ মাটি দিয়ে ভরাট করুন।
3️⃣ গাছ লাগিয়ে হালকা চাপ দিয়ে বসিয়ে দিন এবং পানি দিন।
✅ এর উপকারিতা:
📌 পরিমাণ:
📌 প্রয়োগের নিয়ম:
1️⃣ মাটির সাথে জৈব সার মিশিয়ে দিন।
2️⃣ বীজ বা চারা লাগানোর পর মাটির আর্দ্রতা ঠিক রাখুন।
3️⃣ ৩ মাস পর পর জৈব সার ও নিম খৈল প্রয়োগ করুন।
✅ এর উপকারিতা:
✅ উচ্চ উর্বরতা – অধিকাংশ ফসল ও গাছের জন্য উপযোগী।
✅ ভালো পানি নিষ্কাশন – অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে না।
✅ শিকড়ের দ্রুত বৃদ্ধি – বাতাস চলাচল ভালো হয়।
✅ সহজ চাষযোগ্য – হালকা ও নরম মাটি, তাই সহজে চাষ করা যায়।
✅ সবজি, ফল ও ফুল গাছের জন্য উপযুক্ত।
📌 ⚠️ সতর্কতা:
❌ যদি মাটি অতিরিক্ত বেলে হয়, তাহলে কোকোপিট বা ভার্মি কম্পোস্ট মিশিয়ে নিন।
❌ পানি ধরে রাখার ক্ষমতা কম হলে কিছু কাদামাটি ও জৈব সার ব্যবহার করুন।
❌ বৃষ্টি বেশি হলে অতিরিক্ত বালি যুক্ত মাটি ব্যবহারে গাছ দ্রুত শুকিয়ে যেতে পারে।
| ব্যবহারের ধরন | পরিমাণ | প্রয়োগের সময় |
|---|---|---|
| টবে গাছ লাগানো | ৫০% দোআঁশ + ২৫% কোকোপিট + ২৫% জৈব সার | গাছ লাগানোর সময় |
| কৃষি জমি (১ বিঘা) | ১০-১৫ ট্রাক দোআঁশ মাটি | জমি তৈরির সময় |
| সবজি ও ফল গাছ | ৭০% দোআঁশ + ১৫% জৈব সার + ১৫% কম্পোস্ট | প্রতি ৩ মাস পর |