অতিমাত্রিক ঘনবসতিপূর্ণ আমাদের প্রিয় দেশ বাংলাদেশ। এর মধ্যে জনবসতির শীর্ষে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। অন্যান্য শহরের অবস্থাও যে খুব ভালো সেটা বলা যাবে না। রাজধানী ও শহরমুখী মানুষের স্রোত দিনদিন বেড়েই চলেছে। ফলে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য; বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে রাজধানীসহ অন্যান্য শহরও। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে নগরবাসীর জীবন। বৃদ্ধি পাচ্ছে তাপমাত্রা। এক পরিসংখ্যান বলছে, গড়ে একটা বড় শহরের প্রায় ৬০ শতাংশ জায়গা দখল করে আছে ফাঁকা ছাদ, যা তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে বেশ সহায়ক হতে পারে, যদি সেখানে পরিকল্পিতভাবে ছাদ বাগান করা যায়। এমন পরিস্থিতিতে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য জেলা উপজেলা শহরকে পরিবেশবান্ধব বসবাসের উপযোগী করতে হলে ছাদে গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই। যেহেতু আমাদের সমতল ভূমিতে গাছ লাগানোর জায়গার বড্ড অভাব, সেহেতু বাড়ির ছাদে কিংবা ব্যালকনিতে সুষ্ঠুভাবে বাগান করা হলে তাপমাত্রা অনেকাংশেই কমানো সম্ভব বলে মনে করেন কৃষি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের ভাষ্যানুসারে যদি শহরের সব ছাদে পরিকল্পিতভাবে বাগান করা হয়, তাহলে সেই শহরের তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমানো সম্ভব। আমরা এটাও জানি ঢাকা শহরের প্রায় ৭০ শতাংশ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা, যা এই নগরীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে অনেকাংশে দায়ী।
এক সমীক্ষায় দেখা যায়, ঢাকা শহরের প্রায় ৬০ শতাংশ জায়গায় কংক্রিটের কাঠামো আছে, যা মূলত শহরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করছে। অধিক জনসংখ্যা, অতিরিক্ত নগরায়ণ, যানবাহন, জলাধার ও গাছপালা কমে যাওয়ার কারণে ঢাকার পরিবেশ দূষণ বিশ্বের অন্যান্য বড় শহরের তুলনায় অনেক বেশি। ১৯৮৯ সালে ঢাকা শহরে গাছপালার পরিমাণ ছিল ২৬.৬৮%, যা ধীরে ধীরে কমে ১৯৯৯ ও ২০০৯ সালে যথাক্রমে ১৫.৯৩% ও ৮.৫৩%-এ নেমে এসেছে। অন্যদিকে ১৯৮৯ সালে ঢাকা শহরের বাৎসরিক গড় তাপমাত্রা ছিল ১৮-২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ২০০৯ সালে বেড়ে হয়েছে ২৪-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্তমানে সেটা যে আরো ভয়াবহ তা বেশ অনুমান করা যায়। অন্যান্য শহরের অবস্থাও যে এটার সমার্থক, সেটা বললে নিশ্চয় অত্যুক্তি হবে না।
ঢাকাসহ অন্যান্য বড় শহরে মাটির অস্তিত্ব দিনদিন কমে আসছে। হারিয়ে যাচ্ছে খোলামেলা জায়গা। আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে ছেয়ে যাচ্ছে গোটা শহর। ইট- কাঠের বদলে দ্রুতই বৃদ্ধি পাচ্ছে ইস্পাতের কাঠামো ও কাচে মোড়ানো বহুতল ভবন। কাচে মোড়ানো দরজা-জানালায় ও বাণিজ্যিক ভবনের টেকসই স্থাপনার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে হালকা, কিন্তু শক্তিশালী ধাতব পাত, ফাইবার ও গ্লাস। এতে তাপমাত্রা আরো বেড়ে যাচ্ছে, কারণ সূর্য থেকে তাপ ও আলো ধাতব ও কাচের কাঠামোর একটিতে পড়ে অপরটিতে প্রতিফলিত হয়। বারংবার প্রতিফলনের কারণে কিছু নির্দিষ্ট এলাকার তাপমাত্রা আশেপাশের এলাকার তুলনায় বেড়ে যায় এবং শহরজুড়ে তৈরি হয় অসংখ্য হিট আইল্যান্ড বা তাপ দ্বীপ।
সময়ের সমীকরণে ছাদ বাগান
১৯
ছাদ বাগানের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ
২৭
ছাদ বাগানের জন্য মাটি প্রস্তুত ও চারা রোপণ
৩৫
ছাদ বাগানের জন্য আদর্শ মাটি তৈরি
৩৫
মিশ্র সার ব্যবহার করে মাটি তৈরি
৩৫
শুধু দোআঁশ মাটিতে চারা রোপণ
৩৬
টবে রাসায়নিক সার প্রয়োগে সাবধানতা
৩৬
টবে রোপিত গাছে অণুখাদ্য প্রয়োগ
৩৭
টবে মাটি ভর্তি ও চারা রোপণ
৩৭
উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান
৩৮
উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদানের কার্যকারিতা উৎস এবং গ্রহণের ধরন
৩৯
ফসলের পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত সাধারণ ও সুনির্দিষ্ট লক্ষণসমূহ
৪০
ছাদ বাগানের নিয়মিত পরিচর্যা
৪২
ঠেস দেওয়া বা ঠেকনা দেওয়া
৪৪
জাবড়া প্রয়োগ বা মালচ্ দেওয়া
৪৫
ডগা ছাঁটাই বা ডগা কর্তন
৫০
অবাঞ্ছিত বিটপ কেটে দেওয়া
৫১
গ্রীষ্মকালে ছাদ বাগানের বিশেষ পরিচর্যা
৫৪
বর্ষার ছাদ বাগানের পরিচর্যা
শীতকালীন ছাদ বাগানের পরিচর্যা
৫৫
বিভিন্ন বয়সি ফল গাছের জন্য বছরভিত্তিক সার প্রয়োগের মাত্রা
৫৫
ফল ফসলের ফলন বৃদ্ধিতে হরমোনের প্রয়োগ
ছাদ বাগানের বালাই ব্যবস্থাপনা
৬৩
রহস্যময় পোকামাকড়ের সাথে আমাদের নিত্যদিনের ঘরবসতি
৬৩
সরকারের আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে পোকার আক্রমণে চীনে দুর্ভিক্ষ
৬৭
বালাই দমনের নামে বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র
৬৯
রোগ পোকামাকড় সহ দণ্ডায়মান ফসলের সম্ভাব্য সমস্যাবলি
৭০
পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ের প্রকৃত স্বরূপ
৭১
সময়ের সমীকরণে জৈব বালাইনাশক
৭৬
পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনে বালাইনাশকের ব্যবহার
৭৭
নিবন্ধনকৃত জৈব বালাইনাশক এর তালিকা
৭৯
জৈব বালাই ব্যবস্থাপনার অন্যান্য পদ্ধতি
৮১
বিভিন্ন ধরনের ফেরোমন লিউর বা টোপ
৮২
ফলের পুষ্টিগুণ ও ছাদ বাগানে ফল চাষের যৌক্তিকতা
৮৬
ছাদ বাগানের জন্য নির্বাচিত ফলগাছের চাষাবাদ পদ্ধতি
৯০
ছাদে বারোমাসি কাঁঠাল চাষ
১১৩
ছাদ বাগানে আঁশফলের চাষ
১২৫
ছাদে পেয়ারা উৎপাদন কৌশল
১২৮
ছাদ বাগানে ডালিম/আনার/বেদানার চাষ
১৫৩
ছাদে কমলা ও মাল্টার চাষ
১৭২
ছাদ বাগানে করমচার চাষ
১৯০
ছাদে আতা ও শরিফার চাষ
২০১
ছাদ বাগানে ড্রাগন ফলের চাষ
২০৬
ছাদ বাগানে বিদেশি ফল রাম্বুটান চাষ
২১৮
ছাদে প্যাসান বা ট্যাং ফলের চাষ
২৩৩
ছাদে অ্যাভোকাডো ফলের চাষ
২৩৭
ছাদ বাগানে নাশপাতির চাষ
২৪৩
ছাদে কাজু বাদামের চাষ
২৬০
ছাদে খাটো জাতের ভিয়েতনামী নারিকেল চাষ
২৬৬
সবজি খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা
২৭৪
ছাদে সবজি চাষের যৌক্তিকতা
২৭৭
ছাদে সবজি বাগান করবার আগে বিবেচ্য বিষয়াবলি
২৭৮
ছাদে সবজি বাগানের জন্য মাটি বা গ্রোয়িং মিডিয়ার ব্যবহার
২৭৯
ছাদ বাগানের জন্য পট বা কনটেইনার বা পাত্র
২৮০
ছাদ বাগানের জন্য সবজি নির্বাচন
২৮২
ছাদ বাগানে সবজি চাষে সেচ ও নিকাশ
২৮৪
ছাদ বাগানে জাংলা বা বাউনি বা মাচা বা ঠেস দেওয়া
২৮৫
অপ্রয়োজনীয়, বয়স্ক, মরা শাখা অপসারণ
২৮৭
সবজির পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনা
২৯২
সবজির বিভিন্ন পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা
২৯২
সবজির বিভিন্ন রোগবালাই ব্যবস্থাপনা
২৯৮
ছাদ বাগানে সুন্দরের প্রতীক ফুল চাষ
৩০৭
টবে ফুলের চাষ ও পরিচর্যা
৩০৯
ছাদ বাগানে ফুল চাষের জন্য জন্য আদর্শ মাটি তৈরি
৩০৯
টবে মাটি ভর্তি ও চারা রোপণ
৩০৯
সেচ ও নিকাশ ব্যবস্থাপনা
৩১০
ঠেস দেওয়া বা ঠেকনা দেওয়া
৩১১
জাবড়া প্রয়োগ বা মালচ্ দেওয়া
৩১১
ডগা ছাঁটাই বা ডগা কর্তন
৩১৬
বিভিন্ন ফুলের পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনা
৩১৭
সহায়ক পুস্তক ও অনলাইন লিঙ্ক